দেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক সংকট দূর করতে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেছেন, আগামী তিন মাসের মধ্যে মাধ্যমিক ও প্রাথমিক স্তরের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ দুই মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন সকল প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক শূন্যপদ পূরণ করতে হবে।
সোমবার (৯ মার্চ) রাজধানীতে অনুষ্ঠিত “শিক্ষা ও মানবসম্পদ উন্নয়ন ইশতেহার ২০২৬ বাস্তবায়নে ১৮০ দিনের কর্মপরিকল্পনা” শীর্ষক এক সভায় তিনি এ নির্দেশনা দেন।
সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, দেশে বহু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষক সংকট রয়েছে, যার কারণে পাঠদান কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। প্রায়ই সংবাদপত্রে এমন খবর দেখা যায় যে শিক্ষক না থাকায় অনেক প্রতিষ্ঠানে নিয়মিত ক্লাস নেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। এই পরিস্থিতি দ্রুত পরিবর্তনের জন্য তিনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান।
মন্ত্রী স্পষ্ট করে বলেন, তিন মাস পর যেন কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক শূন্যপদ অবশিষ্ট না থাকে—এটাই সরকারের লক্ষ্য। এ উদ্দেশ্যে শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ সব প্রতিষ্ঠানে দ্রুত নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহার ২০২৬ অনুযায়ী দেশের শিক্ষা ব্যবস্থাকে আধুনিক ও সময়োপযোগী করে তোলার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। শিক্ষাকে শুধু মুখস্থভিত্তিক না রেখে সৃজনশীল চিন্তা, বিশ্লেষণী দক্ষতা এবং বাস্তব জীবনে প্রয়োগযোগ্য জ্ঞান অর্জনের দিকে গুরুত্ব দেওয়া হবে।
ড. এহছানুল হক মিলন বলেন, আগামী ১৮০ দিনের কর্মসূচির মাধ্যমে শিক্ষা ও মানবসম্পদ উন্নয়নে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আনার পরিকল্পনা রয়েছে। এ সময়ের মধ্যে শিক্ষা ব্যবস্থার বিভিন্ন খাতে গুরুত্বপূর্ণ সংস্কার কার্যক্রম বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হবে।
সোমবার (৯ মার্চ) রাজধানীতে অনুষ্ঠিত “শিক্ষা ও মানবসম্পদ উন্নয়ন ইশতেহার ২০২৬ বাস্তবায়নে ১৮০ দিনের কর্মপরিকল্পনা” শীর্ষক এক সভায় তিনি এ নির্দেশনা দেন।
সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, দেশে বহু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষক সংকট রয়েছে, যার কারণে পাঠদান কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। প্রায়ই সংবাদপত্রে এমন খবর দেখা যায় যে শিক্ষক না থাকায় অনেক প্রতিষ্ঠানে নিয়মিত ক্লাস নেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। এই পরিস্থিতি দ্রুত পরিবর্তনের জন্য তিনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান।
মন্ত্রী স্পষ্ট করে বলেন, তিন মাস পর যেন কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক শূন্যপদ অবশিষ্ট না থাকে—এটাই সরকারের লক্ষ্য। এ উদ্দেশ্যে শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ সব প্রতিষ্ঠানে দ্রুত নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহার ২০২৬ অনুযায়ী দেশের শিক্ষা ব্যবস্থাকে আধুনিক ও সময়োপযোগী করে তোলার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। শিক্ষাকে শুধু মুখস্থভিত্তিক না রেখে সৃজনশীল চিন্তা, বিশ্লেষণী দক্ষতা এবং বাস্তব জীবনে প্রয়োগযোগ্য জ্ঞান অর্জনের দিকে গুরুত্ব দেওয়া হবে।
ড. এহছানুল হক মিলন বলেন, আগামী ১৮০ দিনের কর্মসূচির মাধ্যমে শিক্ষা ও মানবসম্পদ উন্নয়নে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আনার পরিকল্পনা রয়েছে। এ সময়ের মধ্যে শিক্ষা ব্যবস্থার বিভিন্ন খাতে গুরুত্বপূর্ণ সংস্কার কার্যক্রম বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হবে।
উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রেও উন্নয়ন পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, গবেষণা ও উদ্ভাবনকে উৎসাহিত করতে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সঙ্গে শিল্পখাতের যৌথ গবেষণাগার প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়া হবে। পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার মান উন্নয়নে প্রয়োজনীয় নীতি সংস্কারও করা হবে।
মন্ত্রী বলেন, দেশের তরুণ জনগোষ্ঠীকে দক্ষ জনশক্তিতে রূপান্তর করতে শিক্ষা ও দক্ষতা উন্নয়নে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে। বাংলাদেশের জনসংখ্যাগত সুবিধা বা ‘ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ড’কে কাজে লাগানোর জন্য কর্মক্ষম যুবসমাজকে মানসম্মত শিক্ষা ও দক্ষতাভিত্তিক প্রশিক্ষণের আওতায় আনা জরুরি। এর পাশাপাশি ভবিষ্যতে প্রবীণ জনগোষ্ঠীর সুস্বাস্থ্য, সামাজিক সুরক্ষা এবং সমাজে তাদের সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার বিষয়েও পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে।
তিনি আরও জানান, বিএনপির শিক্ষানীতির মূল লক্ষ্য হলো জীবনঘনিষ্ঠ, কর্মমুখী এবং উৎপাদনশীল শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলা। এ লক্ষ্যে পর্যায়ক্রমে শিক্ষাখাতে জাতীয় আয়ের (জিডিপি) পাঁচ শতাংশ বরাদ্দ নিশ্চিত করার পরিকল্পনা রয়েছে।
শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়নের জন্য শিক্ষক প্রশিক্ষণ কার্যক্রমকে আরও জোরদার করার কথাও উল্লেখ করেন মন্ত্রী। একই সঙ্গে প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষা বিস্তারের উদ্যোগ হিসেবে মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম স্থাপন এবং ‘ওয়ান টিচার, ওয়ান ট্যাব’ কর্মসূচি বাস্তবায়নের পরিকল্পনার কথাও তুলে ধরেন তিনি।
শিক্ষার্থীদের দক্ষতা বাড়াতে মাধ্যমিক পর্যায় থেকেই তৃতীয় ভাষা শিক্ষা চালু করার প্রস্তাব রয়েছে বলেও জানান তিনি। পাশাপাশি সাধারণ শিক্ষার সঙ্গে কারিগরি শিক্ষাকে বাধ্যতামূলক করার উদ্যোগ নেওয়া হবে, যাতে শিক্ষার্থীরা পড়াশোনার পাশাপাশি বাস্তবমুখী দক্ষতা অর্জন করতে পারে।
মন্ত্রী আরও বলেন, শিক্ষার্থীদের সার্বিক বিকাশ নিশ্চিত করতে খেলাধুলা, সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড এবং নৈতিক শিক্ষার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হবে। একই সঙ্গে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ নিশ্চিত করা, পর্যায়ক্রমে মিড-ডে মিল চালু করা এবং শিক্ষার্থীদের জন্য বিনামূল্যে ওয়াই-ফাই সুবিধা চালুর পরিকল্পনাও সরকারের রয়েছে।
সভায় আরও আলোচনা করা হয় শিক্ষায় বৈষম্য কমিয়ে আনা, বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থীদের জন্য উপযোগী শিক্ষা ব্যবস্থা তৈরি করা এবং সবার জন্য প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষার সুযোগ নিশ্চিত করার বিষয়ে। এছাড়া শিক্ষার্থীদের তথ্য ব্যবস্থাপনা আধুনিক করতে ‘ডিজিটাল এডু-আইডি’ চালুর বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
এছাড়া মাদরাসা শিক্ষাকে আরও আধুনিক ও যুগোপযোগী করতে তথ্যপ্রযুক্তি, বিজ্ঞান এবং পেশাভিত্তিক শিক্ষাকে পাঠ্যক্রমে অন্তর্ভুক্ত করার ওপরও জোর দেন শিক্ষামন্ত্রী।
তিনি আরও জানান, বিএনপির শিক্ষানীতির মূল লক্ষ্য হলো জীবনঘনিষ্ঠ, কর্মমুখী এবং উৎপাদনশীল শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলা। এ লক্ষ্যে পর্যায়ক্রমে শিক্ষাখাতে জাতীয় আয়ের (জিডিপি) পাঁচ শতাংশ বরাদ্দ নিশ্চিত করার পরিকল্পনা রয়েছে।
শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়নের জন্য শিক্ষক প্রশিক্ষণ কার্যক্রমকে আরও জোরদার করার কথাও উল্লেখ করেন মন্ত্রী। একই সঙ্গে প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষা বিস্তারের উদ্যোগ হিসেবে মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম স্থাপন এবং ‘ওয়ান টিচার, ওয়ান ট্যাব’ কর্মসূচি বাস্তবায়নের পরিকল্পনার কথাও তুলে ধরেন তিনি।
শিক্ষার্থীদের দক্ষতা বাড়াতে মাধ্যমিক পর্যায় থেকেই তৃতীয় ভাষা শিক্ষা চালু করার প্রস্তাব রয়েছে বলেও জানান তিনি। পাশাপাশি সাধারণ শিক্ষার সঙ্গে কারিগরি শিক্ষাকে বাধ্যতামূলক করার উদ্যোগ নেওয়া হবে, যাতে শিক্ষার্থীরা পড়াশোনার পাশাপাশি বাস্তবমুখী দক্ষতা অর্জন করতে পারে।
মন্ত্রী আরও বলেন, শিক্ষার্থীদের সার্বিক বিকাশ নিশ্চিত করতে খেলাধুলা, সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড এবং নৈতিক শিক্ষার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হবে। একই সঙ্গে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ নিশ্চিত করা, পর্যায়ক্রমে মিড-ডে মিল চালু করা এবং শিক্ষার্থীদের জন্য বিনামূল্যে ওয়াই-ফাই সুবিধা চালুর পরিকল্পনাও সরকারের রয়েছে।
সভায় আরও আলোচনা করা হয় শিক্ষায় বৈষম্য কমিয়ে আনা, বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থীদের জন্য উপযোগী শিক্ষা ব্যবস্থা তৈরি করা এবং সবার জন্য প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষার সুযোগ নিশ্চিত করার বিষয়ে। এছাড়া শিক্ষার্থীদের তথ্য ব্যবস্থাপনা আধুনিক করতে ‘ডিজিটাল এডু-আইডি’ চালুর বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
এছাড়া মাদরাসা শিক্ষাকে আরও আধুনিক ও যুগোপযোগী করতে তথ্যপ্রযুক্তি, বিজ্ঞান এবং পেশাভিত্তিক শিক্ষাকে পাঠ্যক্রমে অন্তর্ভুক্ত করার ওপরও জোর দেন শিক্ষামন্ত্রী।