শিক্ষা ব্যবস্থাকে আরও বিস্তৃত ও সমন্বিত করার লক্ষ্যে নতুন পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেছেন, দেশের যেসব জেলায় এখনো জিলা স্কুল প্রতিষ্ঠিত হয়নি, সেসব জেলায় পর্যায়ক্রমে নতুন জিলা স্কুল গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। প্রস্তাবিত এসব প্রতিষ্ঠান প্রথম শ্রেণি থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত পাঠদান কার্যক্রম পরিচালনা করবে, অর্থাৎ উচ্চমাধ্যমিক পর্যায় পর্যন্ত একীভূত শিক্ষাব্যবস্থার আওতায় পরিচালিত হবে।
মঙ্গলবার ২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা সুষ্ঠু, সময়োপযোগী ও গ্রহণযোগ্যভাবে আয়োজনের লক্ষ্যে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা জানান। সভায় বিভিন্ন শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান এবং মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। পরে শিক্ষা মন্ত্রণালয়–এর জনসংযোগ দপ্তর থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়।
মঙ্গলবার ২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা সুষ্ঠু, সময়োপযোগী ও গ্রহণযোগ্যভাবে আয়োজনের লক্ষ্যে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা জানান। সভায় বিভিন্ন শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান এবং মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। পরে শিক্ষা মন্ত্রণালয়–এর জনসংযোগ দপ্তর থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়।
মন্ত্রী বলেন, নতুন জিলা স্কুলগুলো প্রতিষ্ঠিত হলে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের শিক্ষার্থীরাও মানসম্মত শিক্ষার সুযোগ পাবে। একই প্রতিষ্ঠানের অধীনে প্রাথমিক থেকে উচ্চমাধ্যমিক স্তর পর্যন্ত পড়াশোনার সুযোগ তৈরি হলে শিক্ষার্থীদের ধারাবাহিক শিক্ষাজীবন নিশ্চিত করা সহজ হবে। এতে শিক্ষার মান উন্নয়নের পাশাপাশি প্রশাসনিক সমন্বয়ও জোরদার হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে তিনি ২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা আয়োজনের প্রস্তুতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। পরীক্ষার প্রশ্নপত্র প্রণয়ন, কেন্দ্র ব্যবস্থাপনা, নিরাপত্তা, খাতা মূল্যায়নসহ সার্বিক প্রক্রিয়াকে আরও স্বচ্ছ ও নির্ভুল করার বিষয়ে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়।
মন্ত্রী সংশ্লিষ্ট সকল কর্মকর্তা ও বোর্ড প্রতিনিধিদের উদ্দেশে বলেন, জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ এই পাবলিক পরীক্ষাকে ঘিরে কোনো ধরনের গাফিলতি বরদাশত করা হবে না। পরীক্ষার প্রতিটি ধাপে দায়িত্বশীলতা, সতর্কতা ও সমন্বয়ের ওপর গুরুত্ব আরোপ করে তিনি সবাইকে আন্তরিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান।উ
ল্লেখ্য, শিক্ষা খাতে চলমান সংস্কার ও সম্প্রসারণ পরিকল্পনার অংশ হিসেবেই নতুন জিলা স্কুল প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে দেশের সার্বিক শিক্ষা কাঠামো আরও সুসংগঠিত ও শক্তিশালী হবে এবং শিক্ষার্থীরা সমান সুযোগ পাবে মানসম্মত শিক্ষার ক্ষেত্রে, বিশেষ করে জেলা পর্যায়ে।
সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে তিনি ২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা আয়োজনের প্রস্তুতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। পরীক্ষার প্রশ্নপত্র প্রণয়ন, কেন্দ্র ব্যবস্থাপনা, নিরাপত্তা, খাতা মূল্যায়নসহ সার্বিক প্রক্রিয়াকে আরও স্বচ্ছ ও নির্ভুল করার বিষয়ে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়।
মন্ত্রী সংশ্লিষ্ট সকল কর্মকর্তা ও বোর্ড প্রতিনিধিদের উদ্দেশে বলেন, জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ এই পাবলিক পরীক্ষাকে ঘিরে কোনো ধরনের গাফিলতি বরদাশত করা হবে না। পরীক্ষার প্রতিটি ধাপে দায়িত্বশীলতা, সতর্কতা ও সমন্বয়ের ওপর গুরুত্ব আরোপ করে তিনি সবাইকে আন্তরিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান।উ
ল্লেখ্য, শিক্ষা খাতে চলমান সংস্কার ও সম্প্রসারণ পরিকল্পনার অংশ হিসেবেই নতুন জিলা স্কুল প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে দেশের সার্বিক শিক্ষা কাঠামো আরও সুসংগঠিত ও শক্তিশালী হবে এবং শিক্ষার্থীরা সমান সুযোগ পাবে মানসম্মত শিক্ষার ক্ষেত্রে, বিশেষ করে জেলা পর্যায়ে।
