আর কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটলে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে প্রস্তুত থাকবে বিশেষ স্ট্রাইকিং ফোর্স। এ কাজে সারা দেশে মোট ১ লাখ ৮৭ হাজার ৬০৩ জন পুলিশ সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন। পুলিশের মূল্যায়নে দেশের উল্লেখযোগ্য সংখ্যক ভোটকেন্দ্রকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে ধরা হয়েছে। এসব কেন্দ্রে বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করা হচ্ছে। সিসিটিভি ক্যামেরা ছাড়াও দায়িত্বে থাকা সদস্যদের বডি ক্যামেরা ব্যবহার করা হবে, যাতে প্রতিটি পরিস্থিতি সরাসরি নজরদারিতে রাখা যায় এবং কোনো অভিযোগ উঠলে তাৎক্ষণিক যাচাই করা সম্ভব হয়। আইজিপি আরও জানান, শুধু পুলিশ নয়—নির্বাচন ঘিরে নিরাপত্তা ব্যবস্থায় সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী এবং আনসার সদস্যরাও মাঠে থাকবে।
কোথাও সহিংসতা বা গুরুতর অনিয়মের আশঙ্কা দেখা দিলে সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রের ভোটগ্রহণ সাময়িকভাবে বন্ধ করা কিংবা প্রয়োজনে পুরো আসনের ভোট স্থগিত করার মতো সিদ্ধান্তও নেওয়া হতে পারে। সংবাদ সম্মেলনে সম্প্রতি লুণ্ঠিত অস্ত্রের বিষয়েও কথা বলেন তিনি। পুলিশের তালিকাভুক্ত প্রায় ১ হাজার ৩৩০টি অস্ত্রসহ ব্যক্তিগত মালিকানার বহু অস্ত্র এখনও উদ্ধার হয়নি বলে জানান আইজিপি। এ বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনায় রেখেই নিরাপত্তা পরিকল্পনা করা হয়েছে এবং সম্ভাব্য সব ঝুঁকি মাথায় রেখে প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। তিনি আশ্বাস দিয়ে বলেন, কোনো তথ্য বা আশঙ্কাকে হালকাভাবে দেখা হচ্ছে না; বরং সব দিক বিশ্লেষণ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনী প্রস্তুত রয়েছে।
