মঙ্গলবার নির্বাচন কমিশন সচিবালয় থেকে জারি করা এক দাপ্তরিক চিঠিতে বিষয়টি জানানো হয়। সিনিয়র সহকারী সচিব মো. শহিদুল ইসলামের স্বাক্ষরিত ওই নির্দেশনায় বলা হয়েছে, নির্বাচন পরিচালনার স্বচ্ছতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিতের প্রয়োজন বিবেচনায় সীমিত পরিসরে এই অনুমতি দেওয়া হয়েছে।নির্দেশনা অনুযায়ী, ভোটকেন্দ্রে দায়িত্ব পালনকারী প্রিজাইডিং অফিসার ও সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তারা প্রয়োজনীয় যোগাযোগ ও সমন্বয়ের কাজে মোবাইল ব্যবহার করতে পারবেন।
পাশাপাশি ‘নির্বাচন সুরক্ষা ২০২৬’ নামে নির্ধারিত অ্যাপ পরিচালনার জন্য নিয়োজিত দুইজন আনসার সদস্যকেও মোবাইল ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া হয়েছে, যাতে তারা কেন্দ্রের পরিস্থিতি তাৎক্ষণিকভাবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানাতে পারেন। এছাড়া নির্বাচন পর্যবেক্ষণে থাকা দেশি ও বিদেশি পর্যবেক্ষক, নীতিমালা মেনে দায়িত্ব পালনরত সাংবাদিক এবং প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ও তাদের নির্বাচনী এজেন্টদেরও মোবাইল ব্যবহার করার সুযোগ রাখা হয়েছে। ভোটাররাও প্রয়োজন অনুযায়ী ফোন বহন করতে পারবেন, তবে ভোট দেওয়ার সময় গোপন কক্ষে প্রবেশের আগে তা ব্যবহার থেকে বিরত থাকতে হবে। নির্বাচন কমিশন বলছে, ভোটের ছবি তোলা বা ব্যালট প্রকাশ হয়ে যাওয়ার মতো কোনো ঘটনা যাতে না ঘটে, সে কারণেই মার্কিং প্লেসে মোবাইল ফোন ব্যবহার কঠোরভাবে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। কেউ এ নির্দেশনা অমান্য করলে তা নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন হিসেবে বিবেচিত হবে এবং প্রয়োজনে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে। সব মিলিয়ে কমিশনের লক্ষ্য—একদিকে আধুনিক যোগাযোগ ব্যবস্থার সুবিধা রাখা, অন্যদিকে ভোটের গোপনীয়তা ও শৃঙ্খলা নিশ্চিত করা।